July 13, 2014

আজকের টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে আমরা জানতে পারব কীভাবে swap এবং init.d সাপোর্টের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম বিশিষ্ট স্মার্টফোনের র‍্যাম বৃদ্ধি করা যায়।  
এই পদ্ধতিটি মূলত একটি .sh স্ক্রিপ্টের মাধ্যমে কাজ করে থাকে যা swap কে কাজে লাগায়। এর মাধ্যমে sd কার্ডের একটি নির্দিষ্ট অংশ স্মার্টফোন র‍্যাম হিসেবে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়।
তবে এই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য আপনার স্মার্টফোনটিকে অবশ্যই রুটেড হতে হবে এবং ভালো মানের sd কার্ড ব্যবহার করতে হবে (ভালো ফলাফলের জন্য ক্লাস ৮ অথবা ক্লাস ১০ এর কার্ড ব্যবহার করা উচিৎ)।  এছাড়াও init.d স্ক্রিপটও এনাবল করতে হবে। চলুন, শুরু করা যাক তাহলে।
শুরু করার আগে একটি কথা বলছিঃ এই পদ্ধতিটি অ্যাডভান্স লেভেলের ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। তবে, প্রতিটি ধাপ ভালো ভাবে অনুসরণ করলে আশা করি মোটামুটি পর্যায়ের ব্যবহারকারীরও খুব একটা সমস্যা হবার কথা নয়। তবে, এই পদ্ধতি যেহেতু রুট ফোল্ডার সম্পর্কিত এবং মাইক্রো এসডি কার্ডেও কিছু কাজ করে নিতে হয় তাই এই পদ্ধতি অনুসরণের সময় ডিভাইস নষ্ট হলে বা এসডি কার্ডের ক্ষতি হলে আমি বা প্রিয় টেক কেউই দায়ী থাকবে না। তবুও আমি এটুকু বলতে পারি, এই পদ্ধতিতে ডিভাইসের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে তবে এই পদ্ধতিতে এসডি কার্ডের লাইফটাইম কিছুটা কমে যেতে পারে।

ধাপঃ ১

আপনার ডিভাইসটি রুটেড কি না পরীক্ষা করুন, রুটেড না হয়ে থাকলে রুট করুন।

ধাপঃ ২

আপনার sd কার্ডে একটি swap পার্টিশন তৈরী করুন। কীভাবে করতে হয় জানেন না? সমস্যা নেই, বলছি।
মেমরী কার্ড পার্টিশন এবং Swap স্পেস তৈরী করার প্রক্রিয়াঃ
যা লাগবেঃ
১। MiniTool Partition Wizard
২। USB SD Card reader
মেমরী কার্ড পার্টিশন করার জন্য এই লিংক থেকে ‘MiniTool Partition Wizard Home Edition’ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন। এটি উইন্ডোজ ২০০০/এক্সপি/ ভিসতা/ ৭ এবং ৮ সমর্থন করে।
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে কম্পিউটারে ইন্সটল করুন। এবার sd কার্ডটি কার্ড রিডারে ইনসার্ট করে কম্পিউটারে সংযুক্ত করুন। আপনার, sd কার্ডটি কম্পিউটারে দেখানোর পর MiniTool সফটওয়্যারটি রান করুন।
প্রথমে আপনাকে আপনার মেমরী কার্ডটির পুরাতন পার্টিশনটি মুছে দিতে হবে। এর জন্য যদি মেমরী কার্ডের মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় কোন ডকুমেন্ট থেকে থাকে তবে প্রথমে ব্যাকআপ করে নিন। এবার, সফটওয়্যারটির ড্রাইভ লিস্ট থেকে আপনার মেমরী ড্রাইভটি খুঁজে বের করে এর উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করলে কন্টেক্সট মেন্যুতে Delete অপশন দেখতে পারবেন। ক্লিক করুন।
মনে রাখবেন, এই পার্টিশন ম্যানেজারটি অপারেশন queue-তে রেখে দেয়। তাই আপনি একটি অ্যাকশন সম্পন্ন করার পর যতক্ষন না পর্যন্ত ‘Apply’ করছেন ততক্ষন সেই অ্যাকশনটি সম্পুর্ন হবেনা। তাই, মেমরীর পুরাতন পার্টিশনটি ডিলেট করার পর ‘Apply’ এ ক্লিক করে প্রসেসটি সম্পুর্ন করুন।
এরপর নতুন সাধারণ পার্টিশন তৈরী করতে হবে প্রথমে। এর জন্যে ডিলেট করা মেমরী পার্টিশনের উপর মাউসের রাইট ক্লিক করে কনটেক্সট মেন্যু থেকে ‘Create’ চাপুন। নতুন একটি উইন্ডোতে কিছু অপশন দেয়া হবে আপনাকে।
Partition Lebel: ফাঁকা রাখলেও সমস্যা নেই; আপাতত ফাঁকাই রাখছি।
Create As: Primary
File System: এই ক্ষেত্রে আপনার মেমরী কার্ডটি যদি ২ গিগাবাইট অথবা এর চাইতে কম ক্ষমতার হয়ে থাকে তবে FAT দিন, আর যদি ৪ গিগাবাইট বা এর বেশি হয়ে থাকে তবে সেক্ষেত্রে FAT 32 ব্যবহার করুন।
এবার, আপনি ইচ্ছে করলে আমাদের দরকারী swap ফাইল তৈরী করে এই প্রোসেসটি সম্পন্ন করতে পারেন অথবা এর সাথে App2SD ব্যবহারের জন্য একটি ext2 অথবা ext3 পার্টিশনও তৈরী করতে পারেন।
আমি এখানে App2SD তৈরী না করে শুধু মাত্র swap তৈরী করার প্রক্রিয়াই আপনাদের দেখাচ্ছি। swap তৈরী করতে চাইলে উপরের মতই কাজ করবেন শুধু File System এর ক্ষেত্রে Fat বা Fat32 এর বদলে swap সিলেক্ট করবেন।
উপরের চিত্রে Ext2 দেয়া আছে, তবে swap এর ক্ষেত্রে এর নিচের Linux Swap ফাইল সিস্টেমটিই আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে। সিকেল্ট করে ‘ok’ চাপুন এবং সবশেষে ‘Apply’ চেপে প্রোসেসটি শেষ করুন।
আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, ‘ঠিক কতটা জায়গা swap মেমরীর জন্য রাখা উচিৎ’! আপনি ইচ্ছে করলে ৫০ মেগাবাইট বা ১০০ মেগাবাইট জায়গা swap এর জন্য বরাদ্দ করতে পারেন তবে এটি কিছুটা কমই হয়ে যায়। তাই অন্তত পক্ষে ৫১২ মেগাবাইট swap space রাখুন। আপনি চাইলে ১ গিগাবাইট বা এর বেশিও রাখতে পারেন তবে আমার মতে ৫১২ মেগাবাইটই যথেষ্ট।
ব্যাস আমাদের swap পার্টিশনও ক্রিয়েট করা হয়ে গেল। এখন চলুন, মেইন টিউটোরিয়ালের পরবর্তী ধাপে যাই।

ধাপঃ ৩

যে কোন রুট এক্সপ্লোরারের সাহায্যে দেখুন আপনার ডিভাইসের /system/etc/ লোকেশনে init.d নামের কোন ফোল্ডার রয়েছে কি না। যদি থেকে থাকে তবে ধাপ ৪-এ চলে যান। আর যদি না থেকে থাকে তবে আপনাকে অবশ্যই প্রথমে init.d সাপোর্ট অ্যাকটিভ করতে হবে।
init.d সাপোর্ট অ্যাকটিভ করার প্রক্রিয়াঃ
init.d স্ক্রিপট অ্যাকটিভেট করতে আপনার যা যা লাগবেঃ
1. Stock Kernel
2. Root (আশা করছি আপনার ডিভাইসটি রুটেড)
3. Busybox (প্লে স্টোরেই পাবেন)
4. CMW Recovery for Stock Kernel (আশা করি আছে, না থাকলে ইন্টারনেট থেকে একটু কষ্ট করে খুঁজে নিন)
5. Root Explorer (ES-File Manager বা অনান্য সিমিলার অ্যাপলিকেশন দিয়েও কাজ হবে)
যা করতে হবেঃ
প্রথমে এখান থেকে ফাইলটি নামিয়ে আপনার মেমরী কার্ডে রাখুন।
Root Explorer এর সাহায্যে system/etc/ লোকেশনে যান। দেখুন সেখানে install-recovery.sh নামের ফাইল আছে কি না।
যদি না থাকে তবে মেন্যুতে প্রেস করে একটি নিউ ফাইল ক্রিয়েট করুন এবং install-recovery.sh নামে রিনেম করুন। এরপর এর উপর লং প্রেস করে টেক্সট এডিটরের সাহায্যে ওপেন করুন। এরপর, নিচের কোডগুলো লিখুনঃ
#!/system/bin/sh
# init.d support
busybox run-parts /system/etc/init.d/
লেখার পর ফাইলটি সেভ করুন এবং রুট এক্সপ্লোরারের দ্বারা কোন .bak ফাইল তৈরী হলে তা মুছে দিন। এরপর ফাইলটির প্রোপার্টিসে গিয়ে নিচের ছবিটির মত পারমিশন নির্ধারন করে দিন।
আর যদি আগে থেকেই install-recovery.sh নামের কোন ফাইল /system/etc/ লোকেশনে থেকে থাকে তবে এটিকে লং প্রেসের মাধ্যমে কোন টেক্সট এডিটরে খুলুন এবং নিচের কোডটি পেস্ট বা লিখে দিনঃ
# init.d support busybox run-parts /system/etc/init.d/
মনে রাখবেনঃ দুটি ক্ষেত্রেই কোডের শেষ লাইনের পর একটি খালি লাইন রাখতে হবে
এরপর আপনার স্মার্টফোনটি রিকভারীতে বুট করুন এবং রিকভারী থেকে আপনার মেমরী কার্ডে রাখা init.d-autorunner-stock.zip ফাইলটি ইন্সটল করুন।
এখন আপনার মোবাইলটি রিবুট করুন এবং রিবুট হবার পর রুট এক্সপ্লোরারের সাহায্যে /data/local/tmp/ লোকেশনে যান। এখানে ‘init.d_log_test.txt’ নামের একটি ফাইল পাওয়ার কথা যেটি ওপেন করলে আপনি একটি লেখা দেখতে পাবেন, ‘done’।
ব্যাস, আশা করি আপনার init.d স্ক্রিপ্টটি অ্যাকটিভ হয়ে গিয়েছে।

ধাপঃ ৪

এবার মেমরী কার্ডে একটি নতুন ফাইল ক্রিয়েট করুন এবং ফাইলটির মধ্যে নিচের কোডটি লিখুনঃ
if [ -n /dev/block/mmcblk0p2 ]; then mkswap /dev/block/mmcblk0p2; fi; if [ -e /dev/block/mmcblk0p2 ]; then echo 60 > /proc/sys/vm/swappiness; swapon /dev/block/mmcblk0p2; fi;
এবার, এটি সেভ করুন 00userinit নামে। এখন 00userinit নামের ফাইলটি রুট এক্সপ্লোরারের সাহায্যে /system/etc/init.d লোকেশনে কপি করুন এবং ফাইলটির প্রোপার্টিস থেকে এর পারমিশন সেট করুনঃ rwxr-xr-x সিরিয়ালে।
ডিভাইসটি রিবুট করুন।
এবার এই স্ক্রিপ্টটি কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখার পালা। এটি পরীক্ষা করার জন্য Terminal Emulator ডাউনলোড করুন এবং টাইপ করুন, free । ভালো করে বোঝার জন্য নিচের স্ক্রিন শটটি লক্ষ্য করুন।
যদি swap এর লাইনে কোন ‘0’ না থেকে থাকে তবে বুঝতে হবে যে আপনি সফল হয়েছেন
এই টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে আপনি আপনার স্মার্টফোনে পার্মানেন্টলি সোয়াপিং অ্যাকটিভ করতে সক্ষম হবেন, অন্তত ততদিন পর্যন্ত যতদিন না আপনি আপনার স্ক্রিপ্টটি পরিবর্তন করেন অথবা রম পরিবর্তন করেন। যাই হোক, আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে পদ্ধতিটি। আগামীতে নতুন কিছু নিয়ে আসব এই আশায় শেষ করছি আজকের টিউটোরিয়ালটি। ভালো থাকবেন সবাই।

Posted on Sunday, July 13, 2014 by Affe Info

No comments



শুনলাম সরকার কিছু দিন আগে "ঘরে বসে বড়লোক" নামে আউটসোর্সিংকে সবার কাছে পৌছে দিয়ে সকলকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। নিঃসন্দেহে মহৎ উদ্যোগ। সরকারের তরফ থেকে এধরনের উদ্যোগ আরও আগেই নেওয়া জরুরী ছিলো। তবে, এই উদ্যোগ নেওয়ার আগে, কিছু জিনিস সম্ভবত আমাদের ভেবে দেখা উচিত ছিলো। 

ইন্টারনেট কানেকশন

আমিই একমাত্র ব্যাক্তি নই, যে ভালো মানের একটা ইন্টারনেট কানেকশন এর জন্য কান্নাকাটি করছে। আমি বাংলালায়ন এর ৫১২ কেবিপিএস আনলিমিটেড কানেকশন চালাই ( সাফারী কিং )। দিনের মধ্যে কয়েকবার করে কানেকশন যাওয়া আসা করে, আমাকে খেলার সাথী মনে করে লুকোচুরি খেলে। ৫১২ কেবিপিএস এর কানেকশনে, টেকনিক্যালী আমার পাওয়ার কথা, ৫১২/৮ = ৬৪ কিলোবাইট প্রতি সেকেন্ডে। এই লেখাটি যখন লিখছি, আমি ইউটিউবে একটা সাক্ষাৎকার দেখার চেষ্টা করছি, স্পিড মাত্র ২৫ কিলোবাইট প্রতি সেকেন্ড। কি কি হওয়া উচিৎ ছিলো, যেগুলো হচ্ছে না? 
  • আমি যখন ইন্টারনেট কানেকশন টা ক্রয় করছি, তখন বিক্রয়কারী প্রতিষ্টান এই মর্মে আমার কাছে বিক্রি করছে, যে তারা আমাকে সার্বক্ষণিক কানেকশন দেবে, এবং যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তাই দেবে। তারা প্রতিষ্টান লাইসেন্স নেওয়ার সময় সেটাই অঙ্গীকার করেছে সরকার এর কাছে। 
  • আমি যদি এখন প্রতিশ্রুত স্পিড না পাই, সেটা সেবাদানকারী প্রতিষ্টান এর ত্রুটি। এবং তারা যদি সেই ত্রুটি সমাধান করতে না পারেন, সেটাও তাদের ব্যর্থতা। এবং সেক্ষেত্রে সরকারের উচিৎ ছিলো তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গ করার অভিযোগ এনে আইনী কার্যক্রম চালানো। 
অজ্ঞাত কারনে, বাংলালায়ন প্রায় বিগত ২ বছর ধরে ধজভঙ্গ মার্কা কানেকশন দিয়ে যাচ্ছে, হাজার হাজার অভিযোগ করা হচ্ছে, কোন প্রতিকার নেই। এবং আমিই প্রথম ব্যাক্তি নই, যিনি এ নিয়ে আওয়াজ তুলেছেন। একই অভিযোগ প্রায় সবগুলো ওয়াইম্যাক্স কিংবা জি এম এম মতান্তরে থ্রিজি অপারেটর এর জন্য প্রযোজ্য। 
থ্রিজি আসার সময় আমরা সকলেই প্রচন্ড এক্সাইটেড ছিলাম, যাক অবশেষে ভালো কানেকশন পাবো আমরা, স্পিড ওঠা নামা করবে না, সব খানে কানেকশন থাকবে, ভালো স্পিড থাকবে। যা চেয়েছিলাম, তাহা তো পেলাম না গুরু, যা পেলাম, তা আর হজম হলো না। স্পিড ওঠা নামা করার বদলে একবার টুজি থেকে থ্রিজি, আবার থ্রিজি থেকে টুজিতে লাফালাফি করে নেটওয়ার্ক। অনেক যায়গাতেই নেটওয়ার্ক থাকে না থ্রিজির। স্পিড ভালো থাকলেও, মাশাল্লাহ যা দাম দিয়েছে, তাতে থ্রিজিই এখন দূর্লভ রত্ন। 
প্রযুক্তিতে যদি উন্নতি করতে হয়, ভালো ইন্টারনেট কানেকশন দিতে হবে। এবং এর কোন বিকল্প নেই। একজন হবু ফ্রীল্যান্সার, সে শিখতে চায়। কিন্তু ধজভং কানেকশন নিয়ে সে শেখা তো দূরে থাক, তার ক্রমাগত মন উঠে যেতে থাকে। তার ওপরে কানেকশন এর যা দাম, একজন ছাত্রের পক্ষে তা বহন করা আসলেই কঠিন। 
মার্কেটপ্লেস থেকে যখন একজন ক্লায়েন্ট কোন কাজের জন্য ইন্টারভিউ নেয়, তখন কখনো স্কাইপে ভয়েস কল করে, কখনো ভিডিও কল করে। কখনো বা কোন ইউটিউব ভিডিও দেখতে দেয়, কোন কিছু ভালো ভাবে বুঝে নেওয়ার জন্য। এখন এসব করার উপযোগী কানেকশনই যদি আমাদের না থাকে, ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে কাজ আনবোই বা কিভাবে, আর করবোই বা কিভাবে? 

কমিউনিকেশন স্কিল 

তথ্য প্রযুক্তির যে কোন শাখায়, সেটা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হোক, কিংবা গ্রাফিক্স ডিজাইন হোক, কিংবা ওয়েব ডেভেলপমেন্টই হোক না কেন, সর্ব প্রথম যেটা প্রয়োজন, সেটা হলো কমিউনিকেশন স্কিল। ক্লায়েন্ট কি বলছে, সেটা বোঝার ক্ষমতা থাকতে হবে, সেটা বুঝে উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। আবার শেখার ক্ষেত্রে, আমি বিশ্বাস করি, ইন্টারনেট এর চেয়ে বড় শিক্ষক আর কেউ নেই। আর সেই শিক্ষক এর কাছ থেকে জ্ঞান অর্জন করতে হলে, ইংরেজিতে অবশ্যই এবং অবশ্যই দক্ষ হতে হবে। ইংরেজিতে একটা কনভার্সেশন চালিয়ে যাবার দক্ষতা থাকতে হবে। 
আমি প্রচুর ফ্রীল্যান্সার দেখেছি, যারা ক্লায়েন্ট কি চাইছে সেটা না বুঝেই জবে অ্যাপ্লাই করে বসে আছে, ফলাফল, কাজটা সে ঠিকমতো করতে পারছে না, কমিউনিকেশন এর ঘাটতি হচ্ছে, এবং ক্লায়েন্ট রেগে গিয়ে আর কোন বাংলাদেশীকে কাজ দেবো না বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছে। অনেকে আমাকে ফেসবুকে স্ক্রিনশট দিয়ে জানতে চান, এইখানে আসলে ক্লায়েন্ট কি বলেছে। মাঝে মাঝে দুই একজনকে উত্তর দেই, যাদের ক্ষেত্রে দেখি ক্লায়েন্টের জবাব আসলেই একটু প্যাঁচানো। অন্যদের ওপর রাগ হয়। ( এটা আমার ব্যাক্তিগত বিষয় ) 
উদাহরন স্বরূপ বলা যেতে পারে এই ভদ্রলোকের কথা, যিনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন, কোন বাংলাদেশী, পাকিস্তানী বা ইন্ডিয়ানকে কাজ দেবেন না। ইন্ডিয়ান বা পাকিস্তানীরা জাহান্নামে যাক, আমার কিছু আসে যায় না, কিন্তু আমার দেশের নাম যখন আসে, তখন আমারও খারাপ লাগে। 
দুই চারজন চোর ছ্যাঁচড়ার কথা বাদ দিলে, বাকি দোষটা পুরোটাই কমিউনিকেশন স্কিল এর ঘাটতির। না বুঝে কাজে বিড করা এবং কাজ আনা, এবং শেষে গিয়ে সব কিছু লেজে গোবরে করে ফেলা। 
নতুন ফ্রীল্যান্সার তৈরীর আগে, তাদের কমিউনিকেশন স্কিল নিয়ে কাজ করতে হবে সরকারকে। নতুন দু-চারশো ফ্রীল্যান্সার তৈরীর তালে যদি বিশাল একটা মার্কেটপ্লেস আমাদের হাত ছাড়া হয়ে যায়, তাহলে দোষ কে নেবে? 

আগাছা এভ্রিহোয়্যার

কয়েকদিন আগে দেখলাম, একটা সংগঠন ( নাম নিচ্ছি না ) মাত্র আট দিনের ট্রেনিং দিয়ে একজন ফ্রীল্যান্সার তৈরী করেছে, এবং সে নাকি অলরেডি মার্কেটপ্লেস থেকে একটা কাজও পেয়ে গেছে। সেই প্রতিষ্টান থেকে মাসে ৩০-৪৫ হাজার টাকা ইনকামের গ্যারান্টিও দেওয়া হচ্ছে। বলিহারী যাই, সত্যিই বলিহারী যাই। 
ইন্টারনেট এর একজন পাওয়ার ইউজার হতেও একজন মানুষের চার পাঁচ মাস সময় লাগে। সেখানে একজন ফ্রীল্যান্সার তৈরী করতে মাত্র আট দিন লাগে, কিভাবে সম্ভব? সম্ভব এক ভাবেই। শর্টকাট। তাকে শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে, ক এর পর খ লিখবা, এরপর গ। তাহলেই কেল্লা ফতে, ডলারে তোমার পকেট ভারী হয়ে যাবে। 
কথা ভুল না, ডলারে পকেট ভারি হওয়ার সম্ভবনা তো আছে বটে, তবে ক এর পর যদি গ চলে আসে, তাহলে এই ব্যাক্তি কি করবেন, প্রশ্ন হলো সেটাই। এরকম কেউ যদি লেখাটা পড়েন, তাদের হয়তো খারাপ লাগবে, কিন্তু সত্যিটা হলো, বাংলাদেশে কয়েকটা প্রতিষ্টান ছাড়া, বাকি সব ফ্রীল্যান্সার ট্রেনিংই এই ক এর পর খ টাইপ। যারা নিজেরা এই ফিল্ড এ শাইন করেছে, অনেক বছরের অভিজ্ঞতা আছে, তারাই শুধু ট্রেইনার হিসাবে সঠিক গাউডলাইন দিতে পারবে। নিজে কাজ করেছে দুইটা, আবার ট্রেনিং ও দিচ্ছে, এইরকম লোকের কাছে গেলে হয়তো শর্টকাট শিখতে পারবেন, ধরা পরে খেতেই হবে। 
বাংলাদেশের নাম খারাপ হওয়ার পেছনে এই ধরনের ট্রেনিং ইন্সট্রিটিউট এর হাত অনেকখানি। এরা সবাইকে ইনকাম করার প্রমিস করছে, তাদের বেহুদা ট্রেনিং দিচ্ছে, তারা মার্কেট প্লেসে গিয়ে খুব অল্প বিড করা কাজ আনছে। যেমন নিচের এই ভদ্রলোকের কথাই ধরি, 
উনি নিজের সার্ভিস কি দামে বিক্রি করবেন, সেটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। আমার তাতে কিছু আসে যায়না। কিন্তু উনার এই অল্প দামে অধিক কাজের থিওরীর কারনে, সাফার করছে বাকিরা। 
আমি একটা কাজে ১৪৫ ডলার বিড করেছিলাম। কাজটা কি সেটা মূখ্য না, মূখ্য হলো, ক্লায়েন্ট আমাকে বলে, এই রকমই তো একটা কাজ তোমার দেশের একটা ছেলে ৩০ ডলারে করে দিছে। তুমি প্রায় ৫ গুন বেশী চাইতেছ কেন? 
কথা হলো, আমি আমার প্রফিট রেখেই বিড করেছি। তার মানে এই নয় যে কাজটা আসলেই ৩০ ডলারে করা সম্ভব। আমি কাজটা পরে করিনি। কারন এতো কম রেটে করা সম্ভব ছিলো না। সাথে বেশি দেশী ব্যাটার ওপরে সেই রকম মেজাজ খারাপ হয়েছিলো। নিজেতো কম রেটে কাজ করেছে, সেটার জন্য আমাদেরও সাফার করতে হচ্ছে। এখন সরকারের তো আর আইন করা সম্ভব নয় যে মার্কেটপ্লেসে কেউ কম বিড করতে পারবে না। যেটা করতে হবে, এদের ট্রেনিং দিয়ে এদের স্কিলের সাথে সাথে মানসিকতাটাও উন্নত করতে হবে। এবং এটা সরকারের দ্বায়িত্ব, এইসব আগাছা প্রতিষ্টান এর সঠিক যত্ন নেওয়া। মানে এদের সোজা বাংলা সাইজ করা। সানডে মানডে ক্লোজ। 

সত্যটা কি? 

আসলে এতোক্ষন যা লিখলাম, সবই জানা বিষয়। তবে এগুলো প্রতিকার নয়। ফ্রীল্যান্সিং এর অনেক ফিল্ড এর মধ্যে, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, সার্ভার অ্যাডমিনিষ্ট্রেশ্ন, এগুলো ক্রিয়েটিভ ফিল্ড। এই ফিল্ড গুলোতে কাজ করার জন্য ক্রিয়েটিভিটি দরকার। নতুন কিছু শেখার আগ্রহ দরকার, পুরোনো বিদ্যা ঝালাই করার ধৈর্য্য থাকতে হবে। টাকা পয়সা ইনকামের ধান্দা নিয়ে যদি এই ফিল্ডে কেউ আসে, সে হয়তো কিছু কাজ করতে পারবে। কিন্তু দিনের শেষে, সে ভালো একজন ফ্রীল্যান্সার হবে, ভালো একজন প্রোগ্রামার নয়। এখন সরকারের এই পোগ্রাম এর উদ্দেশ্যটাই যদি হয়ে থাকে স্রেফ বৈদেশিক মূদ্রা আনা আর কর্মসংস্থান করা, তাহলে আপনারা ঠিক পথেই আগাচ্ছেন। কর্মসংস্থান করছেন বটে, তবে সেটা সাময়িক, ২ বছর পরে এই ফিল্ড থেকে বাংলাদেশের নাম মুছে যাবে, এটা ষ্ট্যাম্প পেপারে লিখে গ্যারান্টি দেওয়া যায়। নিম্ন মানের কাজ, খারাপ কমিউনিকেশন স্কিল, দূর্বল নেট কানেকশন আর মাথার ওপরে চেপে যাওয়া আগাছাই এই ফিল্ড থেকে আমাদের টেনে নামাবে। 
আর যদি চান যে বৈদেশিক মূদ্রার পাশাপাশি সত্যিকার এর একদল ফ্রীল্যান্সার তৈরী করবেন, যারা জেনে কাজ করবে, বুঝে কাজ করবে, কাজ করার জন্য কাজ করবে। তাহলে এখনো সময় আছে, অবকাঠামোর দিকে নজর দিন। এই ফিল্ড এমনিতেই ইভলভ করবে। এর জন্য শুধু দরকার ভালো ইন্টারনেট কানেকশন, আর আগাছা গুলো থেকে মুক্তি। সরকার এইটুকু পদক্ষেপ আমাদের শুধু বৈদেশিক মুদ্রাই এনে দেবে না, দেশের একটা বড় বেকার জনশক্তির কর্মসংস্থান হবে। 


Posted on Sunday, July 13, 2014 by Affe Info

No comments



প্রযুক্তির ছোঁয়া আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। আবার প্রযুক্তিরই বিভিন্ন বিষয় আমাদের জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষে দিন দিনই উন্নত হচ্ছে মানুষের জীবন। আবার এই প্রযুক্তি নিয়েই মানুষের রয়েছে বিভিন্ন ধরণের দৃষ্টিভঙ্গি। সঠিক ধারণা থাকলেও অনেকেই প্রযুক্তির ব্যাপারে ভুল ধারণা মনে পোষণ করে রেখেছেন, বিশেষ করে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ বা ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নিয়ে অনেকেরই রয়েছে নানা ভুল ধারণা।
আজ আপনাদের সামনে এমনই কয়েকটি প্রচলিত বিষয় তুলে ধরা হবে।

রোবট হবে মানুষের বন্ধু

অনেকেই একটি ব্যাপার নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। তাদের মতে, একসময় পৃথিবীর কতৃত্ব নিজেদের হাতে তুলে নেবে রোবট। যার ফলাফল হতে পারে বেশ ভয়ংকর।
বিভিন্ন উন্নত দেশ চালকবিহীন বিমান বা ড্রোন ব্যবহার করছে এবং একমাত্র যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া এর ব্যবহার তেমন একটা দেখা যায়নি। এখন চিন্তার বিষয় হচ্ছে, রোবট সদৃশ এই ড্রোনের হাতে যদি কতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়, অর্থাৎ তাদের যদি নিজেদের মত করে হামলার সুযোগ করে দেওয়া হয়, তাহলে কি ঘটবে ? সেক্ষেত্রে মানুষ কি পারবে ড্রোনের ইচ্ছা পরিবর্তন করতে ?
যদি এই ধরণের ঘটনা ঘটনা ঘটে, তাহলে তাদের হাতে এমন কিছু ক্ষমতা চলে যেতে পারে যা যাওয়া উচিত নয়। বর্তমানে কিছু মেডিকেল রোবট রয়েছে, যারা ডাক্তারের ভূমিকা পালন করছে। রোগীর রোগের লক্ষণ জেনে নেওয়া থেকে শুরু করে কাউন্সেলিং পর্যন্ত করতে সক্ষম এই রোবট।
আমরা হয়তো ভবিষ্যতে আরও অনেক কাজই তুলে দেব এই যন্ত্রমানবের হাতে যা কোনভাবেই মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়। আর একসময় হয়তো আমরা আমাদের আবিষ্কার করবো রোবটের উপর নির্ভরশীল হিসেবে। ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত কম্পিউটার বিজ্ঞানী, রোবট নির্মাতা ও বিশেষজ্ঞদের এক সম্মেলনে বলা হয়, কিভাবে রোবট ব্যবহার করে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে মানুষের বিভিন্ন তথ্য। আর এর মাধ্যমে সংঘটিত হচ্ছে অপরাধ কর্ম।
আর তাই তাদের পরামর্শ হচ্ছে, এই বিষয়গুলো এখন থেকেই শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। 

শীঘ্রই আসছে উড়ন্ত গাড়ি

উড়ন্ত গাড়ি বা ফ্লাইং কারের স্বপ্ন মানুষ দেখে আসছে অনেক দিন ধরেই। যার মাধ্যমে মানুষ খুব সহজেই বাতাসে চলতে পারবে এবং যেকোন স্থানে সহজে ও নিরাপদে অবতরন করতে পারবে।
অনেকেই বিভিন্ন ছবিতে ফ্লাইং কার দেখেছেন। মাটি থেকে উড্ডয়ন করে উড়তে শুরু করে বাতাসে। ১৯১৭ সালে প্রথম মানুষের সামনে উন্মুক্ত হয় বাতাসে ভেসে বেড়ানোর যান। এরপর একই রকমের আরও অনেক উদ্যোগ নেওয়া হলেও সফল হয়নি তেমন কোনটিই। হেনরি ফোর্ড বলেছিলেন, ১৯৪০ সালে আসবে উড়ন্ত গাড়ি। কিন্তু সেরকম কিছুই অবলোকন করেনি গত শতাব্দী।
একবিংশ শতাব্দীর এক দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো সেরকম কিছু দেখা যায়নি। নাসা একবার উদ্ভাবকদের নিয়ে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল। যার লক্ষ্য ছিল "Personal Air Vehicle" তৈরি করা। তবে নাসা পরে এই উদ্যোগ থেকে সরে আসে।
বিভিন্ন দিম দিয়ে এই ধরণের গাড়ি এখনো সাধ্যের বাইরে। খরচ, চলার পথ এবং নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসীদের ব্যবহারের সম্ভাবনা- এগুলোই বড় বাঁধা।
যদিও বিভিন্ন সময় অনেকেই এই ধরণের অনেক কিছু বানিয়ে দেখিয়েছিল, তবে সেগুলো ছোটখাট এয়ারক্রাফট ছাড়া অন্য কিছুই ছিল না। আর তাই এই ধরণের যান এখনো স্বপ্ন ছাড়া অন্য কিছুই নয়।

জলবায়ু পরিবর্তন কি রোধ করা সম্ভব ?

আমদের প্রিয় এ পৃথিবী প্রতিনিয়তই জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হচ্ছে। কিন্তু কোনভাবেই কি এটি বন্ধ করা সম্ভব নয় ? জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু ক্ষেত্রে হয়তো এটি কমিয়ে আনা যেতে পারে এবং সেক্ষেত্রে বড় ধরণের কিছু দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। বিশ্বের বাঘা বাঘা জলবায়ু এবং পরিবেশবিজ্ঞানীদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ভয়ংকর ধাপ আমরা অতিক্রম করে ফেলেছি যেখান থেকে পেছন ফিরে যাওয়ার আর কোন উপায় নেই।
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর দিকগুলো আমরা ইতোমধ্যেই দেখতে শুরু করেছি। মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে শুরু করেছে। যার ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়েছে। ফলশ্রুতিতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় আগের থেকে আরও ভয়ংকর রূপ নিয়ে ফিরে ফিরে আসছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর কোটি কোটি মানুষ এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় শিকার। সাগরের তীরে অবস্থিত ছোট দেশ ট্যুভেলু ইতোমধ্যেই বড় ধরণের দুর্যোগ মোকাবেলা করতে শুরু করেছে। যা অব্যাহত থাকলে একসময় দেশটির অস্তিত্বই থাকবেনা।
এখন কথা হল, আমরা যদি আজ থেকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন বন্ধ করে দিই, তাহলে কি এই অবস্থা থেকে উত্তরন হবে ? না, সেক্ষেত্রে শতাব্দীর মাঝামাঝি দিকে বৈশ্বিক উষ্ণতা আরও এক ডিগ্রী বৃদ্ধি পাবে। কারন পৃথিবীতে বর্তমানে যে পরিমান কার্বন-ডাই-অক্সাইড রয়েছে, সেটি মিলিয়ে যেতে আরও অর্ধ শতাব্দী সময়ের প্রয়োজন। কিছু দেশ এই সমস্যা থেকে উত্তরনের জন্য কাজ করছে। যেমন, নরওয়ে তাদের বায়ুমণ্ডলে থাকা কার্বন-ডাই-অক্সাইড পাম্প করে মাটির নিচের তেলকুপে পাঠাচ্ছে। গ্রীনহাউজ গ্যাস বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে শতাব্দীর শেষের দিকে ৩ থেকে ৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট বেড়ে যাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা।
আর তাই এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া খুব একটা সহজ হবে না।

Posted on Sunday, July 13, 2014 by Affe Info

No comments

July 7, 2014

(প্রিয় টেক) সম্প্রতি প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল, তাদের ওয়েবসাইটে ২০১৩ সালের সেরা ১০ অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। সে তালিকা মতে অ্যাপগুলোর সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হল প্রিয় টেকের পাঠকদের জন্যে-
1. Duolingo 
এটি একটি ভাষা শেখার অ্যাপ। অ্যাপটির হাইলি কাস্টমাইজ্যাবল শিক্ষা কার্যক্রম এর মাধ্যমে আপনি শিখে ফেলতে পারবেন আপনার পছন্দের ভাষা। শুধু তাই নয় এই অ্যাপ আপনাকে আপনার লক্ষ্যে পৌছানোর পাশাপাশি এর জন্যে আপনাকে পুরষ্কৃতও করবে। আপাতত এটি আপনাকে English, Spanish, French, German, Italian and Portuguese এই ৬ টি ভাষা শিখতে সাহায্য করবে। মজার ব্যাপার হল অ্যাপটি এত সব সুবিধা দেওয়ার পরও কখনোই আপনার কাছে টাকা চাইবে না। যারা এই ভাষা গুলো শিখতে চাচ্ছেন তারা নামিয়ে নিতে পারেন দারুন কার্যকর এই অ্যাপস টি। 
মূল্যঃ ফ্রি

 
এটি আসলে একটি "podcast" প্রস্তুত করার অ্যাপ। podcast হচ্ছে একটি ডিজিটাল মাধ্যম যা আপনার অডিও, ভিডিও, পিডিএফ প্রভৃতির সিরিজ একসাথে মিলে তৈরি হয়। আর এই অ্যাপটির কাজ হল আপনার এই podcast কে প্রতিনিয়ত হালনাগাদ করে রাখা। আপনি যদি কোন ওয়েবসাইট এ subscribe করে থাকেন তাহলে আপনাকে আর বার বার ওই পেজের আপডেট চেক করতে হবে না। pocket cast আপনার জন্য আপডেটগুলো অটোমেটিক download করে রাখবে। শুধু তাই নয়, আপনি আপনার যে কোন অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের মাধ্যমে আপনার podcast গুলো কে সিঙ্ক করে রাখতে পারবেন। এর কাস্টমাইজেবল অডিও প্লেব্যাক সিস্টেম এর মাধ্যমে আপনি আপনার ইচ্ছে মত প্লেব্যাকের গতি নির্ধারন করে দিতে পারবেন। এছাড়াও "featured" এবং "popular" মেনুর মাধ্যমে আপনার সুবিধামত podcast নির্বাচন করতে পারবেন।
মূল্যঃ ৩.৯৯ ডলার
২০১৩ এর আরেকটি জনপ্রিয় অ্যাপস হল "Evernote"। এটি মূলত একটি আধুনিক নোটপ্যাড। তবে আপনি যদি এটিকে শুধু একটি "নোটপ্যাড" ভাবেন তাহলে ভুল করছেন। এটি দৈনন্দিন কাজ কর্ম মনে রাখার ক্ষেত্রে এতটাই কার্যকরি একটি অ্যাপ যে এটিকে এখন শুধু অ্যাপ না বলে বরং প্রোডাক্টিভিটি অ্যাপ বলাটাই শ্রেয়। এটি আপনাকে শুধু নোট লিখে মনে রাখতেই সাহায্য করবে না, এর মাধ্যমে আপনি ছবি তুলতে পারবেন, অডিও রেকর্ডিং এবং সেটিকে ট্যাগ করতে পারবেন যাতে পরবর্তিতে আপনার কন্টেন্টকে সার্চ করে বের করতে সুবিধা হয়। এটা এতটাই বিশাল যে "Evernote" কতৃপক্ষ এটিকে আয়ত্ত আনার জন্য beginner's guide চালু করেছে, ইচ্ছে করলে আপনিও ঢু মারতে পারেন সাইটটি তে।
মূল্যঃ ফ্রি

এটি একটি ফটো এডিটিং অ্যাপ। ফিল্টারিং সুবিধার পাশাপাশি এর মাধ্যমে আপনি কালার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, ব্লার ইমেজ তৈরি করতে পারবেন, লেয়ার এর মাধ্যমে এডিটিং এর সুবিধা তো আছেইই। এছাড়াও স্টিকার হিসেবে একটা ফটোকে আরেকটার উপর ব্যবহার করতে পারবেন। মাত্র 7.2 Mb এর চমৎকার এ অ্যাপস টি নামিয়ে নিতে পারেন এক্ষুনি।
মূল্যঃ ফ্রি
২০১৩ সালে আইওএস ৭ রিলিজের পর এটির চমৎকার ডিজাইনের কাস্টমাইজেবল হোম স্ক্রীন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে চলে আসে, যা অ্যান্ড্রয়েডকে একধাপ নিচে নামিয়ে দেয়। তবে "Nova Launcher", যার ডিজাইনিং উৎকর্ষতা আইওএস ৭ এর উৎকর্ষতাকে ছুয়ে গেছে। কাস্টমাইজেবল "Nova Launcher" এর মাধ্যমে আপনি পারবেন আপনার অ্যান্ড্রয়েডকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে। যদিও আপনার মানিব্যাগ তাতে রাজি নাও থাকতে পারে।
মূল্যঃ ৪ ডলার
"Double Twist" একটি চমৎকার সিঙ্ক্রোনাইজিং অ্যাপ। এর মাধ্যমে আপনি আপনার উইন্ডোজ, অ্যাপল এর ম্যাক ওএস চালিত কম্পিউটার এবং আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের মধ্যে মিডিয়া ফাইল তথা অডিও, ভিডিও সিঙ্ক্রোনাইজ করতে পারবেন। এর রয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী "doubleTwist" মিডিয়া প্লেয়ার। যার মাধ্যমে একই সাথে একাধিক অডিও, ভিডিও এবং "Podcast" শুনতে পারবেন!! একটি কথা না বললেই নয়, এর "cover-centric" ডিজাইন অসম্ভব সুন্দর। 
মূল্যঃ ফ্রি
এখন যেই অ্যাপস সম্পর্কে বলব, তা একটি ওয়েব ব্রাউজিং অ্যাপস। অন্যান্য জনপ্রিয় ওয়েব অ্যাপস যেখানে ব্রাউজিং এর উপর বেশি গুরুত্ত দেয় সেখানে "Reddit Is Fun" অ্যাপটির মুখ্য উদ্দেশ্য হল পোস্টিং এবং কমেন্টিং । এটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। প্রতিনিয়ত বাগ ফিক্স করার মাধ্যমে যে পরিমান উন্নতি এটি করছে তাতে নিঃসন্দেহে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপে পরিনত হবে, এখন এটা শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার।
মূল্যঃ ফ্রি
8. Feedly
এই অ্যাপস টি মূলত তাদের জন্য যারা ওয়েবসাইট এ পড়শোনা করতে ভালবাসেন, এবং একই সাথে বিভিন্ন রকমের নিউজ, বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে পড়তে ভালবাসেন। চোখ বন্ধ করে নামিয়ে নিতে পারেন অ্যাপটি। ইমেজ এর উপর খুবই নিখুত ভাবে ফোকাস করে অ্যাপটি ডিজাইন করা হয়েছে। শুধু তাই নয় এর সাথে এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে "Evernote", "Instapaper" এবং "Pocket" এর মত চমৎকার সব অ্যাপস।
মূল্যঃ ফ্রি
যদি বাস্তব জীবনের সাথে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্ট এর চমৎকার সমন্বয় উপলদ্ধি করতে চান তাহলে দেরি না করে নামিয়ে ফেলুন "Sleepbot" অ্যাপটি। এটিকে আপনি শুধুই টাইম লগ হিসাবে না কি খুব শক্তিশালী sleep tracker হিসাবে ইউজ করতে চান,  এটা আপনার উপর। কিন্তু যে হিসেবেই ব্যবহার করেন না কেন প্রতিটা সার্ভিসই আপনাকে অভিভূত করবে। যদি চান আপনার ঘুমানোর অভ্যাস পরিবর্তন করতে তাহলে এই অ্যাপস টির কোন বিকল্প নেই। আশ্চর্য হলেও সত্য, এটি আপনার ঘুমের মধ্যে আপনার নড়াচড়া করার আওয়াজ এর লেভেল ট্র্যাক করে সেই অনুযায়ী আপনাকে সকালে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবে !!! 
মূল্যঃ ফ্রি
10. Aereo
মুলত অ্যাপস টি তৈরি করা হয়েছে যাতে করে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ক্লাউড কম্পিউটিং সুবিধা ভোগ করা যায়। এর মাধ্যমে ২০ ঘণ্টার টেলিভিশন শো আপনি ক্লাউড এ সেইভ করে রাখতে পারবেন। এটি এখন বেটা ভার্শন হিসেবে চালু রয়েছে। দুঃখের বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশে তো নয়ইই, এমন কি আমেরিকারও মাত্র গুটি কয়েক স্থানে এর সার্ভিস টি চালু রয়েছে।
মুল্যঃ ফ্রি ট্রায়ালের পর প্রতি মাসে ৮ ডলার করে সাবস্ক্রিপশন ফি।

Posted on Monday, July 07, 2014 by Affe Info

No comments

(প্রিয় টেক) বর্তমানের এই ট্যাবলেট, ফ্যাবলেট এবং স্মার্ট ফোনের যুগে শখের ডিভাইসটি দিয়ে ফটোগ্রাফি করা যেন এক উন্মাদনায় পরিণত হয়েছে । এর মধ্যে আবার স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে স্মার্টফোনেই ফটোগ্রাফি করতে ভালবাসেন বেশিরভাগ মানুষ । স্মার্টফোন আছে কিন্তু ছবি তুলতে অপছন্দ করেন এমন লোক আসলে খুঁজে পাওয়া মুশকিল । ছবি স্মার্টফোনে তোলা হোক আর প্রফেশনাল ক্যামেরায়ই তোলা হোক, ফটোগ্রাফিতে “পোস্ট-প্রোসেসিং” বা “এডিটিং” একটি গুরুত্তপূর্ণ বিষয়। আর যদি সেটা হয় মোবাইল ফটোগ্রাফি, তাহলে এটি কতোটা গুরুত্তপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অনেকেই আছেন যারা নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপস এর মাধ্যমে শুধু ছবিকে খানিকটা ফিল্টারিং বা নামমাত্র এডিটিং করেই সন্তুষ্ট থাকেন। আবার অনেকেই আছেন যারা তাদের ছবিতে আনতে চান প্রফেশনালিজম এর ছোঁয়া। আর সেসব ব্যবহারকারীর জন্যই দরকার হয় এমন এক আল্টিমেট অ্যাপ যা তাদের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম । এখন সমস্যাটা হচ্ছে, আপনার সকল প্রকার প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম এমন স্মার্টফোন অ্যাপ খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। এই ক্ষেত্রে চমৎকার একটি উপায় হচ্ছে, একটি অ্যাপ এর উপর নির্ভর না থেকে একাধিক অ্যাপস (যাদের প্রতিটিই সুনির্দিষ্ট কাজে দক্ষ)-এর সাহায্য নেওয়া। তবে মাথায় রাখতে হবে যে, একাধিক অ্যাপ ব্যবহার করতে গিয়ে প্রতিবার ইমেজ ফাইলটি যেন খুব বেশি (প্রতি বার ২ বারের বেশি) সেইভ না করা হয়। কারণ এতে করে ছবিটি তার কোয়ালিটি হারাতে পারে । প্রফেশনাল মোবাইল ফটোগ্রাফির জন্য চমৎকার এবং শক্তিশালী কিছু অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ নিয়েই আমার এই ছোট্ট রিভিউটি প্রিয় টেক পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল।

PicsArt - Photo Studio

picsartঅনেকটা উইন্ডোজ ৮-এর মতো দেখতে চমৎকার ইউজার ইন্টারফেসের এ অ্যাপসটির ফিচার এতটাই সমৃদ্ধ যে, এটিকেই আল্টিমেট অ্যাপ হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ফটো এডিটর, ফটো গ্রিড এবং কলাজ মেকার, ড্রয়িং টুল এবং পিকচার আর্ট নেটওয়ার্ক এর সমন্বয়ের মাধ্যমে আপনি পাবেন বহুবিধ এডিটরের সুবিধা। সুবিধা গুলোর তালিকা নিচে তুলে ধরা হলঃ ফটো ম্যানিপুলেশন টুলের মধ্যে রয়েছে masks, collages, frames, borders, stickers, text effects, clip-art graphics, overlays, callouts, crop, rotate, color adjust এবং আরও অনেক। ইফেক্ট টুলের মধ্যে রয়েছে stenciler, cartoonizer, sketcher, Orton, Lomo, vintage, cross process, HDR, fattal, pencil, Holgaart, watercolor, contours, comic, neon, gouache, old paper, pastel, red eye remover, Popart, mirror, smart blur, face fix, color splash, paper effect এবং আরও অনেক। মজার ব্যাপার হল, এই ইফেক্টগুলো সবই ব্রাশ মুড এ সরাসরি প্রয়োগ করা যাবে। এর মাধ্যমে কোথায় কতটুকু ইফেক্ট ব্যবহার করতে হবে তা আপনি নিজে থেকেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এই অ্যাপ্লিকেশনের এডিটিং টুলের মধ্যে রয়েছে ইমেজ মাস্কিং টুল বা একাধিক লেয়ার ব্যবহারের সুবিধা, টেক্সট টুল এবং লেন্স ফ্লেয়ার। এছাড়াও অ্যাপটির মাধ্যমে সরাসরি ফটো তোলা এবং ইফেক্ট দেওয়ার পাশাপাশি থাকছে প্রিভিউ করার সুবিধা। অ্যাপটির নতুন সংযোজন হল PicsArt ড্রয়িং টুল, যার সাহায্যে আপনি আপনার ড্রয়িং এর সাথে সরাসরি ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে অ্যাটাচ করতে পারবেন। শেষ করছি এর বিশাল নেটওয়ার্ক এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে। এর মাধ্যমে আপনি সরাসরি আপনার পারসোনাল অ্যাকাউন্টে বা অন্যান্য ব্যবহারকারীদের সঙ্গে ফটো শেয়ার তো করতে পারবেনই, এমনকি এসএমএস এবং ই-মেইল এর মাধ্যমেও ফটো শেয়ার করতে পারবেন। সাইটটি প্রতি সপ্তাহে ফ্রি কন্টেস্টেরও আয়োজন করে থাকে । এছাড়াও অ্যাভিয়ারি ইনকর্পোরেশন এরPhoto Editor by Aviary এবং অটোডেস্ক ইনকর্পোরেশনের Pixlr Express - photo editing , PicsArt - Photo Studio এর মতো অতোটা কার্যকরী না হলেও কাছাকছি মানের ফলাফল দিতে সক্ষম। অ্যাপটির সর্বশেষ সংস্করণ: ৩.১৫.১ লাস্ট আপডেট: December 25, 2013 সাইজ: ডিভাইস অনুযায়ী পরিবর্তনশীল মূল্য: ফ্রি

Snapseed's HDR Scape

snapseedএই অ্যাপটির কার্যকরী ফিচারসমৃদ্ধ টুলবক্স আপনার চাহিদার সঙ্গে মানিয়ে নিবে নিমিষেই। কিন্তু এর HDR Scape টুলের যথাযথ ব্যবহারই হচ্ছে এর সবচাইতে বড় সুবিধা এবং সবচেয়ে শক্তিশালি ফিচার । যাই হোক, অনেকে আছেন যারা এই টুলটির অতিরিক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের ছবিগুলোকে পুরোপুরি নষ্ট করে ফেলেন যেখানে এর টোনকে দক্ষ ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে কিছুটা কমিয়ে দিলে এটি একটি পারফেক্ট রেজাল্ট দিতে সক্ষম। সবচেয়ে ভালো কিছু HDR প্রসেসিং অ্যাপগুলোর HDR Scape টুল এর মধ্যে Snapspeed এর HDR Scape টুলটি সবচেয়ে কার্যকরী। এর অন্যান্য টুলের মধ্যে এর Details adjustment টুলটিও বেশ কার্যকরী, যদি না আপনি আপনার ফটোকে আরও একটু শার্পেন ইফেক্ট দিতে চান। অন্য ফিচারগুলোও কাজে আসতে পারে যদি আপনি খুব বেশি সিনেমেটিক ইফেক্ট ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। সর্বশেষ সংস্করণ: ১.৬.০ লাস্ট আপডেট: October 29, 2013 সাইজ: 24MB যে অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে চলবে: 4.0 and UP মূল্য: ফ্রি

VSCO Cam

toolযে কোনো ফটোকে VSCO Cam এ ইমপোর্ট করার একমাত্র কারণ হলো, একে আরো আরও বেশি সিনেমেটিক করে তোলা। এর অসাধারণ ফিল্ম ফিল্টারের বিশাল কালেকশনের (কিছু আবার কিনে নেওয়া যায়) মাধ্যমে আপনিও আপনার ফটোগ্রাফে নিয়ে আসতে পারেন প্রফেশনালিজমের ছোঁয়া। অন্য যেকোনও ফিল্ম ফিল্টার এর তুলনায় এর ফিল্টারগুলো অধিক দৃঢ়, তাই ফটোগুলোর রেজুলেশনও থাকে অক্ষুণ্ণ । এছাড়াও এর ইফেক্টিভ টুল ভাণ্ডারের মাধ্যমে আপনি আপনার ফটোগুলোকে পছন্দমত অ্যাডজাস্ট করতে পারেন। এছাড়াও এর রয়েছে নিজস্ব ফটো গ্রিড, যেখানে ইচ্ছে মত ফটো আপলোড এবং শেয়ার করা যায় । সর্বশেষ সংস্করণ: 2.0.2 লাস্ট আপডেট: December 19, 2013 সাইজ: 19MB যে অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে সাপোর্ট করবে: 4.0 and UP মূল্য: ফ্রি একটা কথা না বললেই নয়, এই অ্যাপটির কার্যকারিতা ইতোমধ্যেই প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার, ইন্টেরিওর ডিজাইনার এবং অন্যান্য প্রফেশনালদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। 

Posted on Monday, July 07, 2014 by Affe Info

No comments